1. admin@sitakundnews.com : sitakundnews.com :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৩০ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে আন্তর্জাতিক মহলকে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের তৈরি এবং তাদেরই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে বলে ফের তাগাদা দিয়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক মহলকে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ৮টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। করোনা মহামারির কারণে এই প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনটি ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ১১ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত মিয়ানমার নাগরিককে আশ্রয় প্রদান করেছে। তিন বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মিয়ানমার একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত নেয়নি। এই সমস্যা মিয়ানমারের সৃষ্টি এবং এর সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে। আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ সবসময় ন্যায়সঙ্গত দাবির পক্ষে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামে বাঙালি জাতি অবর্ণনীয় দুর্দশা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মতো জঘন্য অপরাধের শিকার হয়েছে। সেই কষ্টকর অভিজ্ঞতা থেকেই আমরা নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছি।

‘সব দেশ যেন করোনা ভ্যাকসিন সময়মতো ও একসঙ্গে পায়’

বিশ্বের সব দেশ যেন সময়মতো এবং একসঙ্গে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন পায়, তা নিশ্চিত করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেধাস্বত্ব পেলে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণে এই ভ্যাকসিন উৎপাদন করে দিতে পারবে বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী করোনার ভ্যাকসিনকে ‘বৈশ্বিক সম্পদ’ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আশা করা হচ্ছে বিশ্ব শিগগিরই কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন পাবে। এই ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সব দেশ যেন এই ভ্যাকসিন সময়মতো এবং একইসঙ্গে পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। কারিগরি জ্ঞান ও মেধাস্বত্ব দেওয়া হলে বিপুল পরিমাণে এই ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে।’

তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত বিভাজন নিরসন, সম্পদ আহরণ ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য আমাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগানো প্রয়োজন। পাশাপাশি স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল এবং সদ্য উত্তরিত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এই আপৎকালীন, উত্তরণকাল ও উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বর্ধিত আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং প্রণোদনা প্যাকেজ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “মহামারি নিরসনে আমাদের উদ্যোগ এবং এজেন্ডা-২০৩০ অর্জনে আমাদের প্রচেষ্টা সমানতালে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘ভলান্টারি ন্যাশনাল রিভিউ’ রিপোর্ট উপস্থাপন প্রমাণ করে যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে আমরা যথাযথভাবে এগিয়ে চলেছি। বাংলাদেশকে আমরা ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ এবং ২১০০ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ ব-দ্বীপে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছি।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
ওয়েবসাইট নকশা মাল্টিকেয়ার

প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার